ঢাকাTuesday , 15 February 2022
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. এক্সক্লুসিভ
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. গনমাধ্যম
  8. ছোটদের পোস্ট
  9. জবস
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম
  12. প্রবাস
  13. প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. মতামত

চামড়া শিল্প বিকাশে কেমিক্যাল আমদানিতে ভ্যাট কমানোর প্রস্তাব

Link Copied!

চামড়া শিল্প বিকাশে কেমিক্যাল আমদানির ক্ষেত্রে ভ্যাটের হার ৫০ শতাংশ কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ)। একই সঙ্গে চামড়ার যোগান বৃদ্ধি ও দেশীয় খামারিদের উৎসাহিত করতে মহিষের মাংস আমদানিতে উচ্চ হারে শুল্ক আরোপ করার প্রস্তাব করেছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রাজস্ব বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে বিটিএ এসব প্রস্তাব দেয়।

প্রাক বাজেট আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। আলোচনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এনবিআর কাস্টমস সদস্য (শুল্ক নীতি) মাসুদ সাদিক, সদস্য (আয়কর নীতি) সামস উদ্দিন আহমেদ। 

এছাড়া বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ) এবং লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারারস অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এলএফএমইএবি) প্রাক বাজেট আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন।

বিটিএ চেয়ারম্যান মো. শাহীন আহমেদ বলেন, চামড়া শিল্পের বিকাশে কম বেশি ৩০টি ট্যানারি বন্ডেড সুবিধা পাচ্ছে। যেসব ট্যানারি বন্ডেড ওয়্যারহাউজ সুবিধা পাচ্ছে না তাদের সমস্ত শুল্ক ও ভ্যাট পরিশোধ করে কেমিক্যালস আমদানি করতে হয়। এতে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। যা আন্তর্জাতিক বাজারে নন বন্ডেড ট্যানারি মালিকরা পিছিয়ে পড়ছে। তাই চামড়া শিল্প বিকাশে কেমিক্যাল আমদানির ক্ষেত্রে ভ্যাটের হার অর্ধেক কমিয়ে ৭.৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করছি। একই সঙ্গে নন বন্ডেড ট্যানারি মালিকদের আমদানি শুল্ক থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, মহিষের মাংস আমদানি বন্ধ হলে দেশীয় খামারিরা চাহিদা অনুযায়ী মাংস উৎপাদনে উৎসাহিত হবে। তাতে দেশের চামড়ার চাহিদাও যোগান দেওয়া সম্ভব হবে।

এ সময় এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেন, চামড়া শিল্প বিকাশে সরকার নানা ধরনের সুবিধা দিয়ে আসছে। তারপরও দেখা যাচ্ছে ঈদের সময় চামড়া কিনতে ঋণ দিতে হয়। এই ঋণ নিয়ে চামড়া কিনছে ব্যবসায়ীরা কিন্তু প্রকৃত দাম পায় না বিক্রেতারা। অথচ চামড়াজাত পণ্যের দাম কিন্তু অনেক বেশি। এক দিকে চামড়ার দাম কম অন্যদিকে পণ্যের দাম বেশি।

তিনি বলেন, কর সুবিধা দিলেই শুধু আপনাদের শিল্পের (চামড়া শিল্প) বিকাশ হবে তা কিন্তু নয়। আপনারা কমপ্লায়েন্স পরিপূরণ করতে পারছেন না। এটাই আপনাদের বড় সমস্যা। বর্তমানে আপনাদের বন্ড সুবিধার অপব্যবহার হচ্ছে। আমরা এই অপব্যবহার রোধ করতে চাই। ভবিষ্যতে সব কিছু অটোমেশন হয়ে যাবে। তখন সব হিসাব নিকাশ অনলাইনে হবে। কি আমদানি করলেন, কি কাজে লেগেছে, কি স্টক করে থাকছে এসব কিছুই অনলাইনে হিসাব রাখা হবে। তখন অপব্যবহার থাকবে না।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, চামড়া খাতের উন্নয়ন আমরা চাই। উৎপাদন খরচ কমিয়ে কীভাবে এই খাতকে এগিয়ে নেওয়া যায় তা ব্যবসায়ীদের ভাবতে হবে। পণ্যের বৈচিত্র্য আনতে হবে। রপ্তানি বাড়াতে হবে।

প্রাক বাজেট আলোচনায় চামড়া প্রক্রিয়াজাত করনের অপরিহার্য কেমিক্যালসমূহ আমদানির ওপর ভ্যাট কমানো, রপ্তানির বিপরীতের প্রাপ্ত নগদ প্রণোদনার ওপর উৎসে কর কর্তনের হার কমানো, সিইটিপি পরিচালনায় কেমিক্যালস ও যন্ত্রাংশ বিনা শুল্কে আমদানির সুযোগ, সুপারভাইজার বন্ডের আদলে বিশেষ ব্যবস্থায় কেমিক্যাল আমদানির সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব করেন বিটিএ।

প্রাক বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারারস অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এলএফএমইএবি) ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নজরুল হাসান বলেন, কোভিড সময় রপ্তানিকারকদের জন্য অগ্রিম কর একটি বড় বোঝা। যা ব্যবসার খরচ বাড়িয়ে দেয়। তাই রপ্তানিতে অগ্রিম করকে চূড়ান্ত কর হিসাব করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

তিনি বস্ত্রখাতের মতো পাদুকা শিল্পখাতের রপ্তানিকারকদের জন্য বিদ্যমান কর্পোরেট করহার এক ও অভিন্ন রকম করার প্রস্তাব করেন।

সোর্সঃ ঢাকা পোস্ট

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।